Web Analytics

আমার দেশ পত্রিকার ১০ মে ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা নয়, বরং আইন মন্ত্রণালয়ে তৈরি করেছিলেন। তৎকালীন আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তিন কর্মকর্তার একটি টিম ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিনের নির্দেশে রায়টি লিখে দেয়। ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আইন সচিবের ব্যক্তিগত ই-মেইল থেকে ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যানের ই-মেইলে রায়ের কপি পাঠানো হয়, যা পরদিন আদালতে পাঠ করে শোনানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা, আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবার দাবি করেছেন যে রায়টি পূর্বনির্ধারিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। আদালতে তার আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, বিচারকরা কেবল আইন মন্ত্রণালয়ে লেখা রায় পাঠ করেছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতও বিচার প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। রায় ফাঁসের অভিযোগে কয়েকজন কর্মকর্তা ও আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা হয়।

২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তার পরিবার ও আইনজীবীরা একে ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ বলে অভিহিত করেন। পরবর্তীতে তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী গুম ও নির্যাতনের শিকার হন বলে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।