তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যে বাংলাদেশে শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে, তবে বাসাবাড়িতে গ্যাস সংকট ও লোডশেডিং দ্রুত পুরোপুরি কাটবে না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। শিল্প মালিকদের প্রতিনিধিরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার রাত থেকে মিল-কলকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের উন্নতির আশ্বাস দিয়েছেন। ২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সংকট আরও তীব্র হয়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত দেশে ২৬১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১৬২ কোটি এবং আরএলএনজি থেকে ৯৯ কোটি ঘনফুট এসেছে। সোমবার সন্ধ্যার তুলনায় সরবরাহ প্রায় ২৫ কোটি ঘনফুট বেড়েছে এবং ২০ জুলাইয়ের ২৬৫ কোটি ঘনফুটের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে দেশের মোট ৩৮০ কোটি ঘনফুট চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এখনও অনেক কম।
গত দুই মাসে ২,৫০০ থেকে ৩,৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত নিয়মিত লোডশেডিং হয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৬,৯০৫ মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪,৮৪৬ মেগাওয়াট। সরকার বলছে, নিয়মিত এলএনজি কার্গো আসা ও ভাসমান টার্মিনালগুলো প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় চললে সরবরাহ আরও বাড়বে। তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেছেন, পরিস্থিতি রাতারাতি বদলাবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।