ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার ও টাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের মধ্যে ২০২২ সালের নভেম্বরে স্বাক্ষরিত প্রিটোরিয়া চুক্তি বড় আকারের যুদ্ধ থামালেও টাইগ্রেতে ক্ষমতা, ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধ রয়ে গেছে। চুক্তিতে স্থায়ী সংঘাত বন্ধ, যোদ্ধাদের নিরস্ত্রীকরণ, পুনর্বাসন ও সমাজে পুনঃএকীভূত করা, রাজনৈতিক সংলাপ এবং বাস্তুচ্যুতদের ফেরানোর কথা ছিল। নতুন যোদ্ধা নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, মোতায়েন ও সামরিক সমাবেশও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের পর টিপিএলএফ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে অবস্থান শক্ত করেছে এবং তাদের কিছু সামরিক প্রভাবও রয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ভারী অস্ত্র হস্তান্তর ও হাজারো সাবেক যোদ্ধার নিরস্ত্রীকরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পরও সামরিক কাঠামো পুরোপুরি ভাঙা যায়নি। ২০২৬ সালে নতুন নিয়োগ ও জোরপূর্বক সামরিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়িয়েছে। তবে টাইগ্রের সাধারণ মানুষ আবার যুদ্ধ চায়, এমন কোনো ভিত্তি নেই।
২০২৫ সালে গেতাচেউ রেদাকে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রধান পদ থেকে সরিয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল তাদেসে ওয়ারেদেকে বসানো হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে আঞ্চলিক পরিষদ দেব্রেতসিয়ন গেব্রেমিকেলকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। টিডিএফ-সংশ্লিষ্ট যোদ্ধাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংঘর্ষের খবর এসেছে। টিপিএলএফের ইরিত্রিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কেন্দ্রীয় সরকারবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর সিমডো সমন্বয়ও আলোচনায় এসেছে। ওয়েলকাইতসহ বিরোধপূর্ণ এলাকায় বহু বাস্তুচ্যুত মানুষ এখনো ফিরতে পারেননি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।