ইউরোপজুড়ে ইসলামবিরোধী মনোভাব বাড়লেও রাজনীতি ও জনজীবনে মুসলিমদের অংশগ্রহণ বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্টের নির্বাচনে ‘ইসলামায়ন’-বিরোধী প্রচারণা চালানো পপুলিস্ট ডানপন্থি এএফডি ৪৪ শতাংশ ভোট পায়। ব্রিটেনের ডোভারে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ এবং ফ্রান্সে প্রকাশ্য স্থানে ইসলামি হিজাব নিষিদ্ধের আহ্বানে জনসমর্থনের কথাও এসেছে।
প্রতিবেদনটি ইউরোপ মুসলমানদের দখলে চলে যাচ্ছে বা ইউরোপীয় সংস্কৃতি বিলুপ্ত হচ্ছে—এমন দাবির বাস্তব ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে। ৫০ কোটির বেশি মানুষের ইউরোপে মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ৬ শতাংশ। নতুন অভিবাসীদের জন্মহার তুলনামূলক বেশি হলেও প্রজন্মের সঙ্গে তা সাধারণত স্থানীয়দের কাছাকাছি আসে। ব্রিটেনে ২০২১ সালে মানসম্মত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের ৬৭ শতাংশ ১৯ বছর বয়সের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়; শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের ক্ষেত্রে হার ছিল ৩৮ শতাংশ।
উৎসটি রাজনৈতিক ইসলামিজম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর উগ্র ডানপন্থি ইসলামভীতিকে পৃথক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মূলধারার দলগুলোর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ, ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষ মোকাবিলা এবং অভিবাসন, জনসংখ্যা ও সামাজিক পরিবর্তন বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।