Web Analytics

প্রায় এক মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ইসলামাবাদ আমেরিকার দেওয়া ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা তেহরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে এবং আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ইসলামাবাদকে সম্ভাব্য আলোচনার স্থান হিসেবে প্রস্তাব করেছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, এ সপ্তাহের মধ্যেই দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে।

এই কূটনৈতিক উদ্যোগ ভারতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রতি টানাপোড়েনে রয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী মোদির পররাষ্ট্রনীতিকে ‘বিশ্বজনীন কৌতুক’ বলে সমালোচনা করেছেন এবং জয়রাম রমেশ বলেছেন, পাকিস্তানের কূটনৈতিক যোগাযোগ ভারতের তুলনায় বেশি কার্যকর হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে সীমান্ত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক অভিজ্ঞতা এবং সৌদি আরব ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক পাকিস্তানকে এই ভূমিকা নিতে সহায়তা করেছে। ভারতের সাবেক কূটনীতিক টিসিএ রাঘবন বলেছেন, পাকিস্তান সফল হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

পরে মোদি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তিনি ও ট্রাম্প যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছেন এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।