বাংলাদেশে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সতর্ক করেছেন যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। রোববার চট্টগ্রাম পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ: নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তারা বলেন, দেশে অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া, মব সন্ত্রাস বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের ভেতরে দুর্নীতিপরায়ণ আমলাদের দৌরাত্ম্য পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিয়েছে, যা সরকারের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করেছে।
সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) চট্টগ্রাম আয়োজিত এই বৈঠকটি গণতান্ত্রিক শক্তিশালীকরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের গণ-আকাঙ্ক্ষা ভঙ্গ হয়েছে এবং প্রশাসনিক নৈরাজ্য সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তারা সতর্ক করেন, এই অবস্থায় নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং গণভোট নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন।
বক্তারা জানান, সরকার ছয়টি কমিশন গঠন করে প্রায় হাজারখানেক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে ১৬৬টি উপস্থাপিত হয় এবং ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি প্রস্তাব সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত, যা গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করা জরুরি বলে তারা মত দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।