রাজধানীর বকশীবাজারের সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলে প্রবেশ করেন ছাত্রদল ও যুবদলের কয়েকশ নেতা-কর্মী। শিবিরের নেতা-কর্মীরা সন্ধ্যা ৬টার দিকে এলাকা ছাড়ার পর কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালিয়ে হলের ফটকে তালা দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল হককে মারধরের অভিযোগও উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল থেকে দুই পক্ষের ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং সাত থেকে আটটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শিবির দাবি করেছে, তাদের প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছেন; ফুয়াদ নামে এক কর্মীর মাথায় ১২টি সেলাই লেগেছে। ছাত্রদল নেতা সাদ চৌধুরী দাবি করেছেন, তাদের ৩০ জনের বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন এবং দুজনের অবস্থা গুরুতর।
ছাত্রদল নেতা মো. ইব্রাহীম বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হল তালাবন্ধ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি ঠিক হলে তা খোলা হবে। শিবির নেতা আব্দুল আলিমের অভিযোগ, ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের পিসি, ল্যাপটপ ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে গেছে এবং কক্ষের মালামাল ভাঙচুর করেছে। পুলিশ শুরুতে সদস্যসংখ্যা কম থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলেও পরে উপস্থিতি বাড়ানো হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।