Web Analytics

একসময় কুমিল্লার রসমালাই ও খাদির মতোই জনপ্রিয় ছিল বাটিক শিল্প। কিন্তু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, মৌসুমি চাহিদার ওঠানামা ও পুঁজি সংকটে এখন এ ঐতিহ্যবাহী শিল্প টিকে থাকার লড়াই করছে। সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে প্রায় ৫০ বছর আগে শুরু হওয়া এই শিল্পে বর্তমানে প্রায় ২৫টি কারখানা সক্রিয় রয়েছে। এসব কারখানায় তৈরি শাড়ি, থ্রি-পিস, লুঙ্গি ও বেডশিট স্থানীয় দোকানসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয় এবং বিদেশেও রপ্তানি হয়।

প্রতিদিন ভোরে কারখানাগুলোতে শুরু হয় রঙ, মোম ও নকশার ব্যস্ততা। কারিগর হামিদ চৌধুরী ও মুশফিকুর রহমান মন্না সহ স্থানীয় শ্রমিকরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। উদ্যোক্তা আবু সাইদ জানান, তার প্রতিষ্ঠানে ১৫ জন কর্মী নিয়মিত কাজ করেন। তবে রোদ না থাকলে কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং শীতকালে চাহিদা কমে যায়।

স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, সরকারি প্রণোদনা ও স্বল্প সুদের ঋণ পেলে কুমিল্লার বাটিক শিল্প আবারও দেশ ও বিদেশে নতুন করে সুনাম অর্জন করতে পারবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।