২০২৬ সালের ১২ মে প্রকাশিত এক মন্তব্যে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় নেওয়া শান্তি উদ্যোগ স্থায়ী শান্তি বা স্থিতিশীলতা আনতে পারবে না। লেখকের মতে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকা ও দুর্নীতির মামলায় কারাবাস এড়াতে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে নেতানিয়াহুর সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল। ফলে উভয় নেতা নিজেদের স্বার্থে সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছেন, প্রকৃত শান্তি নয়।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়েছে, উপসাগরীয় দেশগুলো এখন বুঝতে পারছে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। এক সৌদি কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানের হামলার পর মার্কিন সহায়তা না পাওয়ায় তারা হতাশ। লেখক দাবি করেন, অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার মূল কারণ হলো জায়নবাদী মতাদর্শ ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি ঐতিহাসিক অবিচার। ইসরাইলকে একটি স্বাভাবিক, অ-বর্ণবাদী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা গেলে বহু যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতি এড়ানো যেত।
মন্তব্যটি উপসংহারে বলেছে, নেতানিয়াহুর যুদ্ধ prolong করার নীতি ও গণতন্ত্রবিরোধী পদক্ষেপ ইসরাইলের গণতন্ত্র ও আঞ্চলিক শান্তির জন্য বড় হুমকি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।