২৮ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত এক নিবন্ধে ইসলামি অর্থনীতিবিদ মো. মুখলেছুর রহমান বলেছেন, বৈশ্বিক হালাল অর্থনীতি খাদ্যের গণ্ডি পেরিয়ে ওষুধ, প্রসাধনী, পোশাক, পর্যটন, লজিস্টিকস, আর্থিক সেবা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বিস্তৃত হয়েছে। নিবন্ধের ভাষ্য অনুযায়ী, এ বাজারের বর্তমান আকার প্রায় ৫ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আগামী দশকের শুরুতে তা ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে। বাংলাদেশের বার্ষিক হালাল পণ্য রপ্তানি মাত্র ৮৫০ মিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
লেখক মনে করেন, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বাংলাদেশের সক্ষমতা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শক্তিশালী জাতীয় হালাল অ্যাক্রেডিটেশন কর্তৃপক্ষের অভাব, সীমিত সনদ গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকে তিনি প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এতে রপ্তানিকারকদের বিদেশি সংস্থার কাছ থেকে পুনরায় সনদ নিতে অতিরিক্ত ব্যয় ও সময় লাগে।
নিবন্ধে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য জাতীয় কর্তৃপক্ষ গঠন, সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়, আধুনিক পরীক্ষাগার ও ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সনদ সহায়তা, সরকারি ভর্তুকি এবং হালাল শিল্পকে জাতীয় রপ্তানি কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।