রাজশাহী থেকে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি বা নেসকো লিমিটেডের প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের আলোচনা আবার সামনে এসেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-১ শাখা ১৬ জুলাইয়ের চিঠিতে সম্ভাব্য আর্থিক, প্রশাসনিক ও কার্যগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে মতামত দিতে নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছে। চিঠি প্রকাশের পর রাজশাহীর রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
চলতি বছরের মার্চে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটারের পর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কমিটি গঠিত হয়েছিল। তখন জনমতের চাপ ও রাজশাহীবাসীর প্রতিক্রিয়ায় উদ্যোগটি থেমে যায় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মশিউর রহমান বলেন, তিনি চিঠি পেয়েছেন এবং পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের কাছে কোম্পানির মতামত পাঠাবেন।
প্রতিবাদকারীরা মানববন্ধনে দাবি করেন, সদর দপ্তর সরালে রাজশাহীর প্রশাসনিক গুরুত্ব, কর্মসংস্থান, ব্যবসা, আবাসন, পরিবহন ও স্থানীয় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নেসকোর কার্যক্রম রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় বিস্তৃত হওয়ায় রংপুর অঞ্চলের কিছু প্রশাসনিক কাজে সময় লাগে। আন্দোলনকারীরা ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।