২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে নয়টি বিল পাস হয়। কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় বিলগুলো কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর মধ্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ বিল’ উত্থাপন করেন। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর, সিভিল কোর্টস, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) এবং রেজিস্ট্রেশন আইনের সংশোধনী বিলগুলো উপস্থাপন করেন।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) (সংশোধন) বিল উপস্থাপনের সময় আইনমন্ত্রী জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞায় গুমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার গুমের বিচারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ আইন তারই প্রতিফলন। বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান মন্তব্য করেন, আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনাহূত ছিল। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্যদের বক্তব্য সংসদের আলোচনার মধ্যে সীমিত রাখার পরামর্শ দেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত আরও কয়েকটি বিলও পাস হয়, যা মূলত নাম পরিবর্তনের জন্য করা সংশোধন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তিনটি বিল উত্থাপন করেন এবং পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরেকটি বিল পাসের প্রস্তাব করেন। সব বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।