Web Analytics

সরকারি দাবি সত্ত্বেও বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন প্রকট হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে পাম্পে দীর্ঘ লাইন, নৌপথে স্থবিরতা ও শিল্প উৎপাদনে ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে। একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) কাঁচামালের অভাবে কম সক্ষমতায় চলছে এবং বর্তমান মজুত দিয়ে সর্বোচ্চ এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত উৎপাদন চালানো সম্ভব। ফেব্রুয়ারির পর থেকে নতুন কোনো ক্রুড তেল না আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত জাহাজগুলোও পৌঁছাতে পারেনি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দাবি করছে, আগের বছরের মতোই সরবরাহ অব্যাহত আছে এবং সংকটের কারণ ‘প্যানিক বায়িং’ ও কালোবাজারি। কিন্তু কাস্টমসের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে জ্বালানি তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালের মার্চের তুলনায় ২০২৬ সালের মার্চে তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির আমদানি কমেছে ৬৫ হাজার টনের বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা জাহাজগুলোর বেশিরভাগই গ্যাসজাত জ্বালানি বহন করেছে, ফলে তরল তেলের ঘাটতি আরও বেড়েছে।

নতুন ক্রুড তেল দ্রুত না এলে ইআরএল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা জাতীয় জ্বালানি সংকটকে আরও গভীর করবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।