বিশ্বের প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে নিজেদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করছে, কারণ পরিচালন ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২২ সালে চ্যাটজিপিটি জনপ্রিয় হওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নে এআই কোম্পানিগুলো কম খরচে সেবা দিয়েছিল। ডেলফি ল্যাবসের কেভিন সিমব্যাক এই সময়কে ‘সাবসিডাইজড ইন্টেলিজেন্স’-এর যুগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এখন ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের মতো শীর্ষ কোম্পানিগুলো লাভজনক হওয়ার পথে এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এআই এজেন্টের ব্যবহার বাড়ায় টোকেনভিত্তিক খরচ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে চিপ ও ডেটা সেন্টারের চাহিদা বাড়ায় কম্পিউটিং অবকাঠামোর ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। ওমনিইউএক্সের মার্ক বার্টন জানান, বিশেষ করে সফটওয়্যার ডেভেলপারদের মধ্যে এআই ব্যবহারের খরচ দ্রুত বাড়ছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, কিছু ক্ষেত্রে টোকেন ব্যয় কয়েক মাসের মধ্যেই একজন কর্মীর বেতনের সমান হয়ে যাচ্ছে।
ব্যয় কমাতে অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ওপেনসোর্স বা ছোট ও বিশেষায়িত এআই মডেলের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভবিষ্যতে এআই একটি সাধারণ পণ্যে পরিণত হবে, যেখানে সাশ্রয়ী ও উপযুক্ত মডেল নির্বাচনই হবে মূল চাবিকাঠি, যদিও উন্নত ব্যবহারকারীদের মধ্যে শক্তিশালী মডেলের চাহিদা বজায় থাকবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।