যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন করে হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলের সাত দেশের তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলের যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজায়ি। তেহরান ও ওয়াশিংটন উভয় পক্ষের নতুন যুদ্ধপ্রস্তুতির আশঙ্কার মধ্যেই তিনি এ বক্তব্য দেন। ইরানি কর্মকর্তারা পরবর্তী সংঘাতকে অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করছেন।
পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের উপদেষ্টা মেহদি মোহাম্মদি বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নীতিগতভাবে নতুন হামলায় একমত হয়েছেন, তবে এর সফলতা নিশ্চিত নয়। তাঁর ভাষ্য, ইরান সংঘাতের সময় ও ভৌগোলিক বিস্তৃতির প্রচলিত সীমা মানবে না। রেজায়ি বলেন, ইরানের অর্থনৈতিক জীবনরেখায় হামলা হলে হামলায় সহায়তাকারী অর্থনৈতিক অবকাঠামো নিরাপদ থাকবে না।
আইআরজিসির নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে চারটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং মাইন বিস্ফোরণে আরও তিনটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি করেছে; তবে এগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। হামলার আশঙ্কায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩ দশমিক ৪ ডলারে উঠেছে। এদিকে যুদ্ধবিরতির পথ খুঁজতে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা হরমুজ অবরোধ প্রত্যাহারসহ কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।