আনসার আল্লাহ নামেও পরিচিত ইয়েমেনের হুথিরা সেপ্টেম্বর থেকে সৌদি আরবের ভেতরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও তাদের একাধিক হামলার লক্ষ্য হয়েছে। গত শনিবারের হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হন। এরপর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করে সব ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেয়।
সৌদি আরব জানিয়েছে, গত সপ্তাহে তারা কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য উড়ন্ত বস্তু ভূপাতিত করেছে; এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাজধানীমুখী দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছিল। তবে শনিবার বিমানবন্দরে আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্রটি তারা ঠেকাতে পারেনি। বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বিশাল আয়তন, ইয়েমেন সীমান্তের দীর্ঘতা এবং বিভিন্ন গতির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে ব্যবহারের হুথি কৌশল বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষাকে চাপে ফেলে।
প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের সীমিত মজুতও উদ্বেগের বিষয় বলে বিশ্লেষকেরা উল্লেখ করেছেন। খবরে বলা হয়েছে, গত মাসে সৌদি আরব আকাশ প্রতিরক্ষা বা অন্য সহায়তার জন্য কয়েকটি বন্ধুদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। অন্যদিকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা, অবরোধ ও একাধিক রণাঙ্গনের চাপ হুথিদেরও সীমাবদ্ধতায় রেখেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।