Web Analytics

২০২৬ সালের ১২ মে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, কক্সবাজার ও ভাসানচরের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ১০০ শিশু জন্ম নিচ্ছে। শিক্ষার অভাব, পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং রক্ষণশীল সামাজিক কাঠামোকে এই উচ্চ জন্মহারের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে বাংলাদেশ সরকারকে অতিরিক্ত ভরণ-পোষণের চাপ সামলাতে হচ্ছে, যদিও রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের দুই সন্তানের নীতি কার্যকর ফল দিচ্ছে না। জন্মহার নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর মানবাধিকার ইস্যু তুলে আপত্তি জানিয়েছিল।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি ক্যাম্প ও ভাসানচরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্থবির থাকলে এই জনসংখ্যা বাংলাদেশের জন্য সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সরকার ‘ফ্যামিলি প্ল্যানিং স্ট্র্যাটেজি ২০২৬–২০৩০’ হালনাগাদ করেছে, যেখানে ইমপ্লান্ট ও কপারটির মতো দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় নেতা ও কমিউনিটি প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে কর্মকর্তারা বলছেন, টেকসই সমাধান হলো নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।