২০২৪ সালে সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে জুলাই সনদের ওপর গণভোট। ৩০০ আসনের এই নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি দল হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), যা ১০ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে, এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ (জেআইবি), যা ১১ দলীয় জোটের নেতৃত্বে রয়েছে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকায় তারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় পার্টি স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
বিএনপি এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফিরে অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠনের অঙ্গীকার করেন। বিশ্লেষকদের মতে, তার নেতৃত্বে দলটি সংগঠিত ও সতর্কভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতা শফিকুর রহমান দলকে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং প্রথমবারের মতো হিন্দু প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে ভোটারভিত্তি সম্প্রসারণের চেষ্টা করছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নির্বাচনের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, আর নির্বাসিত হাসিনা ভারত থেকে নির্বাচনের সমালোচনা অব্যাহত রেখেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।