জুলাই বিপ্লবী শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর তার পরিবার ও সহযোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা রায়টিকে অসম্পূর্ণ বলে আখ্যা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগ করা হয়েছে, হত্যার নির্দেশদাতাদের লঘু শাস্তি এবং নির্দেশ পালনকারীদের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘোষিত রায়ে কেউ পাঁচ বছর, কেউ দশ বছর কারাদণ্ড এবং দুজনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আবু সাঈদের বোন সুমি আক্তারসহ পরিবারের সদস্যরা বলেন, তারা আরও কঠোর শাস্তির প্রত্যাশা করেছিলেন, বিশেষ করে শিক্ষক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে। সহযোদ্ধারা যেমন ফারুক আহমেদ, শামসুর রহমান সুমন, নয়ন ও আহমদুল হক আলভি জানান, প্রকৃত নির্দেশদাতা ও ছাত্রসংগঠনের সংশ্লিষ্টদের শাস্তি পর্যাপ্ত নয় এবং রায় তাদের প্রত্যাশা পূরণ করেনি।
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তার মৃত্যু জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতীক হয়ে ওঠে এবং সহযোদ্ধারা আশা করছেন, এই মামলার রায় ভবিষ্যতের বিচার প্রক্রিয়ার দৃষ্টান্ত হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।