যশোরের কেশবপুরে বাসবাড়িয়া খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খালটি খনন করা হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একই খাল খননের জন্য বরাদ্দ অর্থের সিংহভাগ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ধর্মপুর ব্রিজ থেকে ৩ দশমিক ৩৫০ মিটার খাল খননে ৫১ লাখ ৫৪ হাজার ১৮৯ টাকা বরাদ্দ হয়। কাজ শুরু হয় ২৩ মে এবং ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হয়।
প্রকল্পের চেয়ারম্যান ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. কামরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও পিআইও অফিসের কর্মকর্তাদের নির্দেশে সাব-ঠিকাদার মোকলেছুর রহমান মুকুল ভেকু দিয়ে খননকাজ করেন। শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরির কথা থাকলেও তাঁরা ৩০০ টাকা পেয়েছেন। তাঁরা আরও জানান, মাত্র ৮ থেকে ১০ দিন ৫০ থেকে ৬০ শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হয়েছিল।
মুকুল বলেন, তাঁর কাজের বিল প্রায় ২১ লাখ টাকা হলেও তিনি সাড়ে ১৪ লাখ টাকা পেয়েছেন এবং বাকি অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভাগ করে নিয়েছেন। কামরুল ইসলাম জানান, চুক্তি অনুযায়ী মুকুলকে সাড়ে ১৪ লাখ টাকা দেওয়া হয় এবং তিনি শ্রমিক দিয়ে মাটির কাজ করেছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইসতিয়াক হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্প অনুযায়ী কাজ হয়েছে; ২০২৩-২৪ সালে খালটি খনন হয়েছিল কি না, তা তাঁর জানা নেই।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।