পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির সময় ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২১ ঘণ্টার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। শুরুতে আশার সঞ্চার হলেও শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ একে অপরকে ব্যর্থতার জন্য দোষারোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, তেহরান ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক’ দাবিকে দায়ী করেছে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, আঞ্চলিক শান্তি কাঠামো ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়ে মতপার্থক্য থেকেই আলোচনা ভেস্তে যায়।
ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আশা প্রকাশ করেছেন যে সংলাপ চলবে এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা জরুরি। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন মেনে চললে চুক্তি সম্ভব।
বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা দেন এবং ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দেন। ইরান এসব হুমকিকে গুরুত্বহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।