জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছেন। নিজ জন্মভূমি লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি মাত্র ৫,১৫২ ভোট পেয়ে চতুর্থ হন এবং নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী জামানত হারান। বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজিব প্রধান ১,৩৮,৬৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, জামায়াতের মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু ১,২৯,৫৭২ ভোটে দ্বিতীয় এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহমেদ ৭,৯৫৯ ভোটে তৃতীয় হন।
স্থানীয় ভোটার ও বিশ্লেষকদের মতে, রাঙ্গার এই ভরাডুবির পেছনে একাধিক নেতিবাচক কারণ কাজ করেছে। একাদশ নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার ঘুষ নেওয়ার খবর ভাইরাল হয়ে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। দীর্ঘদিন এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখা, প্রচারণায় ‘জমিদারি’ আচরণ এবং ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিতর্কিত ভূমিকা তাঁর প্রতি জনঅবিশ্বাস বাড়ায়। জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার ও অবস্থান পরিবর্তনের ঘটনাও ভোটারদের বিরূপ করে তোলে।
রাঙ্গা বলেন, তিনি আর নির্বাচনের বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না এবং ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তাঁর নতুন করে কিছু চাওয়ার নেই।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।