গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও প্রকট করেছে। এই পদক্ষেপ সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের প্রভাবাধীন তেল জোটের প্রতি এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং এটি আমিরাতের উৎপাদন সীমাবদ্ধতা নিয়ে অসন্তোষের প্রতিফলন। দ্বন্দ্ব এখন শুধু তেল নয়, বরং আঞ্চলিক রাজনীতি, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা ও নিরাপত্তা কৌশলেও ছড়িয়ে পড়েছে।
একসময় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ যৌথভাবে ইয়েমেন যুদ্ধ ও কাতার অবরোধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে তারা ইয়েমেন ও সুদানে বিপরীত পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছেন, ভিন্ন জ্বালানি নীতি অনুসরণ করছেন এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতা করছেন। রিয়াদকে ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সৌদি উদ্যোগ দুবাইয়ের প্রভাবকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছে, আর উভয় দেশই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিপুল বিনিয়োগ করছে।
তবে সম্পর্ক ছিন্ন করার কোনো ইঙ্গিত নেই। সাম্প্রতিক ইরানি হামলার পর সৌদি আরবের সমর্থন দেখায় যে সহযোগিতা এখনো টিকে আছে, যদিও ওপেক ত্যাগের সিদ্ধান্ত উপসাগরীয় রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।