Web Analytics

২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি পরিকল্পনাকে সময়োপযোগী ও কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই লক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও টেকসই বাস্তবায়নের জন্য সহজ বিনিয়োগ পরিবেশ, স্বল্পসুদে অর্থায়ন এবং কর-শুল্ক ছাড় নিশ্চিত করা জরুরি।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যানশিয়াল অ্যানালাইসিস ও চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের উপস্থাপনায় জানানো হয়, বিদ্যুৎ খাতে আমদানি নির্ভরতা এবং জ্বালানি ভর্তুকি অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। বক্তারা জীবাশ্ম জ্বালানির ভর্তুকির অংশ নবায়নযোগ্য খাতে স্থানান্তর, কার্বন মূল্য নির্ধারণ ও ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী বন্ড চালুর প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি সৌর সরঞ্জামে পূর্ণ শুল্ক ছাড় ও ৫ হাজার কোটি টাকার রিভলভিং ফান্ড গঠনের সুপারিশ করা হয়।

তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, পূর্বের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় নতুন পরিকল্পনাতেও ঝুঁকি রয়েছে। তারা স্রেডার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পিপিপি মডেল সরলীকরণ এবং দ্রুত নীতিগত সংস্কারের আহ্বান জানান।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।