সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সাম্প্রতিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি বা ‘মক্কা চুক্তি’র পরিপ্রেক্ষিতে ভারত ও ইসরাইলের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফোনে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন।
পরদিন মক্কায় স্বাক্ষরিত চুক্তিতে ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের আদলে একটি ধারা রয়েছে বলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এতে জোটের একটি দেশের ওপর হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে দেখা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক নিরাপত্তা কাঠামোর বাইরে গড়ে ওঠা এই সমীকরণ সৌদি আরবকে ইসরাইলের কাছাকাছি আনার প্রত্যাশাকে জটিল করেছে।
ভারত নতুন প্রতিরক্ষা সমঝোতাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, যদিও ভারত-ইসরাইলের নতুন আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তির খবরকে ভুয়া বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএমইসি, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, গোয়েন্দা সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে দিল্লি ও জেরুজালেমের সহযোগিতা গভীর হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।