বাংলাদেশে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগে বড় ধস নেমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৬ দশমিক ০৩ শতাংশে, যা দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটে বিনিয়োগ কার্যক্রম টানা কয়েক মাস ধরে কমছে। এমন অবস্থায় বিএনপি সরকার আগামী দেড় বছরে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। বিডা, বেজা, পিপিপিএ ও মিডা যৌথভাবে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে, যার মূল লক্ষ্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার করা। তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও রপ্তানি হ্রাসের প্রেক্ষাপটে এই কর্মসংস্থান লক্ষ্য বাস্তবায়ন কঠিন।
বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে প্রায় ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে থেকে যাবে এবং ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত কর্মসংস্থান নয়, বরং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা এখন বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।