গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরে ইসরাইলের সঙ্গে প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের চুক্তি করেছিল মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
মাইক্রোসফটের অ্যাজুর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম ইসরাইলি সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং দ্রুত ব্যবহারের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে আগের একাধিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। যুদ্ধের প্রথম বছরে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোম্পানিটির ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ক্লাউড ও এআই-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নেয়।
প্রযুক্তির সম্ভাব্য সামরিক ব্যবহার নিয়ে কোম্পানির ভেতরেও বিতর্ক হয়েছে। কিছু কর্মী ইসরাইলকে প্রযুক্তি সরবরাহ বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ করেন এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অধিকারকর্মী ও বিশেষজ্ঞরা গোয়েন্দা কার্যক্রম, নজরদারি ও লক্ষ্য নির্ধারণে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। মাইক্রোসফট সরবরাহের বিষয়টি অস্বীকার করেনি; তবে অপব্যবহারের অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক আইন বা নীতিমালা লঙ্ঘনের সম্ভাবনা পর্যালোচনার কথা বলেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।