২১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক লেখায় মাসুদ সাঈদী শাহবাগের পিজি হাসপাতালে তার বাবা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ভর্তি ও মৃত্যুর ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট ২০২৩ কাশিমপুর কারাগারের এক রক্ষীর ফোনে তিনি জরুরি হাসপাতালে নেওয়ার খবর পান, তবে শুরুতে কোন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে তা জানতে পারেননি। পরে পিজি হাসপাতালে নেওয়ার খবর পেলে সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিবারের সদস্যদের তাঁর কাছে যেতে বাধা দেয় বলে তিনি দাবি করেন।
মাসুদ সাঈদী লিখেছেন, চিকিৎসকেরা সাংবাদিকদের প্রাথমিক ইসিজিতে হার্ট অ্যাটাক ধরা পড়ার কথা বলেন এবং বুকের ব্যথা কমে যাওয়ায় কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখার কথা জানান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন দ্রুত এনজিওগ্রাম বা প্রাইমারি পিসিআই করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, চিকিৎসা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি, সিসিইউতে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং শারীরিক অবস্থার নিয়মিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
লেখায় বলা হয়, পরিবারের সাক্ষাৎ ও একজন অ্যাটেনডেন্ট থাকার অনুমতি চেয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল। মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, পরে দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাকের খবর লোকমুখে শুনলেও হাসপাতাল থেকে আনুষ্ঠানিক তথ্য পাননি। শেষে পুলিশ কর্মকর্তারা তাঁকে সিসিইউ এলাকায় নিয়ে গিয়ে বাবার মৃত্যুর সংবাদ দেন। লেখাটিতে চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লেখকের অভিযোগও রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।