Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কাতারের কাছে চারটি কেসি-৪৬এ পেগাসাস আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে; চুক্তিটির মূল্য ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বলে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। প্যাকেজে আটটি পিডব্লিউ৪০৬২ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন, ১০টি এএন/এএলআর-৬৯এ রাডার সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং সহায়তা ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম রয়েছে। প্রতিবেদনে এটিকে ইরানকেন্দ্রিক উদ্বেগ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতাকে কাজে লাগিয়ে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রির অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

সূত্রের হিসাবে, আনুষঙ্গিক সরঞ্জামসহ কাতারের প্রতিটি বিমানের ব্যয় ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এর বিপরীতে মার্কিন বিমানবাহিনী প্রতিটি বিমান প্রায় ২০০ থেকে ৩২২ মিলিয়ন ডলারে সংগ্রহ করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে ইউরোপীয় এয়ারবাস এ-৩৩০ এমআরটিটির সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিটি এ-৩৩০ এমআরটিটির জন্য প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে।

প্রতিবেদনটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি হিসাব নিরীক্ষা সংস্থা জিএওর তথ্য উদ্ধৃত করে বলেছে, কেসি-৪৬এ ২০১৯ সাল থেকে প্রস্তুতি ও মিশন পরিচালনার নির্ধারিত মান পূরণ করতে পারেনি। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা, রিমোট ভিশন সিস্টেম, কাঠামোগত ফাটল, জ্বালানি লিক, বুম বিচ্ছিন্নতা ও বৈদ্যুতিক ত্রুটির কথা বলা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, বিক্রিটি কাতারকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হুমকি মোকাবিলায় সহায়তা করবে এবং কৌশলগত অংশীদারের নিরাপত্তা জোরদার করবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।