Web Analytics

ড. তাওহিদুল ইসলামের প্রবন্ধে বাংলার উপকূলীয় অঞ্চলে, বিশেষত চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে, প্রাচীন আরব মুসলিম বসতি স্থাপনের ঐতিহাসিক বিতর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ড. এনামুল হক ও এম.এ. রহিমসহ বিভিন্ন গবেষকের ব্যাখ্যার ভিত্তিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, অষ্টম শতাব্দী থেকেই আরব বণিকরা বাণিজ্যিক কারণে বাংলায় বসতি স্থাপন করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। কিছু সূত্রে বলা হয়েছে, এসব বসতি ধীরে ধীরে সংগঠিত মুসলিম সম্প্রদায়ে পরিণত হয় এবং ‘সুলতান’ উপাধিধারী শাসকের অধীনে স্বাধীন রাজ্য গঠিত হয়েছিল। তবে অনেক ইতিহাসবিদ এই দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দিহান।

প্রবন্ধে চট্টগ্রামের উপভাষায় আরবি শব্দের প্রভাব, স্থাননাম ও সামাজিক রীতিনীতিতে আরব ঐতিহ্যের ছাপকে আরব বসতির প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলার উর্বর উপকূলীয় ভূগোল ও বাণিজ্যপথের সুবিধা আরব বণিকদের আকৃষ্ট করেছিল। ১৫১৮ সালে পর্তুগিজ পর্যটক বারবোসা চট্টগ্রামকে আরব ও অন্যান্য বণিকে পরিপূর্ণ একটি সমৃদ্ধ বন্দর হিসেবে বর্ণনা করেন।

সেন শাসনামলের কঠোর জাতিভেদ ও ধর্মীয় অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে ইসলামের সামাজিক সমতা ও ন্যায়বোধ স্থানীয় জনগণকে প্রভাবিত করে, যা আরব মুসলিম বসতি স্থাপনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছিল।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।