Web Analytics

ডানপন্থি অলটারনেটিভ ফর জার্মানির (এএফডি) উত্থানে জার্মানির গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যের নির্বাচনে দলটির বড় সাফল্যের পর এএফডিকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে। তবে অনেকে দলটিকে নিষিদ্ধ না করে আইন ও সাংবিধানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার পক্ষে মত দিচ্ছেন।

নাৎসি শাসন, পূর্ব জার্মানির কমিউনিস্ট শাসন এবং দুই বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতা জার্মানির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গঠনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। ২০১৭ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর এএফডি বুন্ডেসট্যাগে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে এবং বিভিন্ন রাজ্যে প্রভাব বাড়ায়। সংবিধানে মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতিবিরোধী দল নিষিদ্ধের সুযোগ থাকলেও, বিপুলসংখ্যক ভোটারকে তাদের পছন্দের দলকে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এএফডি-নেতৃত্বাধীন কোনো রাজ্য সরকার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ৩৭ অনুচ্ছেদে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের সুযোগ রয়েছে, যদিও ৭৭ বছরে তা কখনো প্রয়োগ হয়নি। মূলধারার দলগুলো এএফডির সঙ্গে সহযোগিতা না করার ‘ফায়ারওয়াল’ নীতি বজায় রেখেছে। তাদের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পেনশন, কর, অভিবাসন ও সামাজিক উদ্বেগে স্পষ্ট কর্মসূচি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।