Web Analytics

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত সুনামগঞ্জের ১২০ প্রার্থী এনএসআই ও ডিএসবি পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, প্রায় আট মাস অপেক্ষার পর নিয়োগপত্রে নিজেদের নাম না দেখে তাঁরা গভীর অনিশ্চয়তা ও হতাশায় পড়েছেন।

ভুক্তভোগী কয়েকজন প্রার্থী বলেছেন, তাঁদের কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই এবং নামে কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরিও নেই। তাহিরপুরের আমিরুল হাসান জানান, তিনি ২০২১ সালে এমসি কলেজ থেকে গণিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অর্থনীতির স্নাতক মহসিন মিয়া এবং শান্তিগঞ্জের সামন্ত কুমার দাসও মেধা তালিকায় থাকার পর নিয়োগ তালিকায় নাম না থাকার কথা বলেছেন।

বঞ্চিত প্রার্থীরা শনিবার জেলা প্রশাসকের বাংলোর সামনে অবস্থান নিয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পুনঃতদন্ত এবং দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানান। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস বলেন, ৬৩৫ জন শিক্ষক পদের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও আপাতত ১২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।