Web Analytics

জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই দেশে চালের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে এক মাসের ব্যবধানে কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির এলসি বন্ধ থাকায় মিল মালিক ও বড় করপোরেট কোম্পানিগুলোর কারসাজিতেই এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, অসাধু সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে মিল মালিকদের দাবি, ধানের সরবরাহ কমে যাওয়া ও দাম বাড়ার কারণেই চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাজেটকে ঘিরে কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্যমতে, এক মাসে সরু, মাঝারি ও মোটা জাতের চালের দাম যথাক্রমে ১.২৯%, ২.৫০% ও ৩.৭০% বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে মিনিকেট, আটাশ ও নাজিরশাইলসহ সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। আটা-ময়দা ও সয়াবিন তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতারা বাজারে নজরদারি জোরদার ও মজুতদারি রোধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

খাদ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারের হাতে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে আমদানি ও ওএমএসের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিন্ডিকেটের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।