Web Analytics

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস ও সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান শুরু করেছিলেন। কিন্তু পাঁচ মাস পরও ঘোষিত লক্ষ্যগুলো প্রায় পূরণ হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক ও কৌশলগত সংকট তৈরি করেছে এবং তিনি নতুন বড় সামরিক অভিযানে যেতে দ্বিধায় রয়েছেন।

যুদ্ধ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে। হামলা-পাল্টা হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থার মজুত কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট ও ইপসোসের জরিপে যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমকায় সমর্থন ছিল ২৯ শতাংশ। স্পিকার মাইক জনসনও যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের সামনে তিনটি প্রধান পথ রয়েছে: ইরানে বড় সামরিক হামলা, কঠোরতর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, অথবা বিজয় ঘোষণা করে সংঘাত থেকে সরে আসা। সামরিক তৎপরতা বাড়ালে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও নতুন নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে; নিষেধাজ্ঞায় দ্রুত ফলের নিশ্চয়তা নেই। সরে এলে ঘোষিত লক্ষ্য পূরণ না হওয়ার সমালোচনার মুখে পড়তে পারেন তিনি।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।