উদ্বোধনের দুই দশক পেরিয়েও জিনজিরা ২০ শয্যা হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালু হয়নি বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ২০০৬ সালের ৭ জুলাই উদ্বোধিত হাসপাতালটি চিকিৎসক ও জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা এবং নানা অনিয়মের অভিযোগে সীমিতভাবে চলছে। ভবন, শয্যা ও চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ থাকলেও এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী চুলকানি, জ্বর-সর্দি, ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ মাপার মতো প্রাথমিক সেবার বাইরে বড় চিকিৎসা কার্যক্রম নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ চিকিৎসকের বিপরীতে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন মাত্র একজন। ১৮ পদের বিপরীতে ২৮ জনবল থাকার কথা থাকলেও নিয়মিত পাওয়া যায় সাত থেকে ১০ জনকে। সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বহির্বিভাগ চালুর কথা থাকলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, দুপুর ১২টার পর অনেক চিকিৎসক ও কর্মী হাসপাতালে থাকেন না। কয়েকজন চিকিৎসক অন্য প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত থাকায় সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।
২০২০ সালের মার্চে করোনা রোগীদের জন্য ২৯টি শয্যায়, যার মধ্যে নয়টি কেবিন, সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা করা হয়। পরে অধিকাংশ সেবা বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন জাকারিয়া মাহমুদ জানিয়েছেন, হাসপাতালের অনিয়মের অভিযোগ পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।