টানা খরার পর আশ্বিনের মধ্যভাগে নীলফামারীতে ভারী বৃষ্টিতে আমন ধানখেতের পানিসংকট কমেছে এবং চাষিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে সদ্য রোপণ করা আগাম আলু ও শীতকালীন সবজির চাষিরা উদ্বিগ্ন, কারণ বৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসল ও বীজ আলু পচে ক্ষতি হতে পারে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে জেলায় বৃষ্টি শুরু হয় এবং দুপুর ১২টা পর্যন্ত চার মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের আবহাওয়া দপ্তরের আবহাওয়াবিদ লোকমান হাকিম বলেন, সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তাঁর মতে, বৃষ্টি দ্রুত কমে যেতে পারে, আবার টানা তিন থেকে চার দিনও স্থায়ী হওয়ার লক্ষণ রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বৃষ্টি আমন চাষের জন্য অত্যন্ত উপকারী হলেও আগাম আলু ও শাকসবজিতে কিছুটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ১ লাখ ১৩ হাজার ২২০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আমন আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২৫ হেক্টর বেশি হয়েছে। প্রবীণ আলুচাষি এইচএম আনোয়ার ইসলাম জানান, তিনি ১৬ বিঘা জমিতে আগাম আলু রোপণ করেছেন। দ্রুত বৃষ্টি থামলে ক্ষতি হবে না, তবে দীর্ঘস্থায়ী হলে বীজ আলু পচে বড় আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।