হবিগঞ্জ সীমান্তে জব্দ ভারতীয় জিরা ও অন্যান্য পণ্য ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে আদালতের মাধ্যমে জিম্মায় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। প্রতিবেদনে হবিগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত সুলতান মাহমুদ আরজুকে চক্রটির মূল হোতা বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সীমান্তপথে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় জিরা অবৈধভাবে দেশে আসছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জব্দ ও মামলা হওয়ার পর চক্রটি পণ্যের মালিকানা দাবি করে।
অন্তত ২০টি জিম্মা-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনায় গত দুই বছরে কমপক্ষে ২০ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জিম্মায় নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। চক্রটির বিরুদ্ধে ভুয়া এলসি, ভাউচার, নিলামের কাগজ, ট্রেড লাইসেন্স ও অন্যান্য ব্যবসায়িক নথি জমা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই কাগজ একাধিকবার ব্যবহারেরও অভিযোগ করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর কিছু অসাধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা নথি ও তথ্য চক্রের সদস্যদের দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিবেদনে ৪২ লাখ টাকার ছয় হাজার কেজি এবং ৪৬ লাখ টাকার ছয় হাজার ৬০০ কেজি জিরা জিম্মায় নেওয়ার উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। সুলতান মাহমুদ আরজু মোতাব্বির হোসেন কাজলের মাধ্যমে তিন হাজার ৬০০ কেজি জিরা জিম্মায় নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, তবে তিনি বৈধভাবে পণ্য কেনা ও কর দেওয়ার দাবি করেন। পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ বলেন, বিষয়টি যাচাই করে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।