Web Analytics

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। ২০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আদালত তার ব্যক্তিগত চিকিৎসককে মেডিকেল বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছে। প্রতিবেদনে এই নির্দেশকে এমন প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে, যেখানে বন্দির মৌলিক অধিকারও বিশেষ ছাড় হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার রায়ের একটি অংশকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করেছে। এতে বলা হয়েছে, কারাবাস, রাজনৈতিক মামলা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধতার মাধ্যমে ইমরান খানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে লেখাটির দাবি, বন্দিত্ব তাকে আরও শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত করেছে এবং পাকিস্তানের ক্ষমতাকাঠামোর জন্য জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

লেখাটিতে বলা হয়েছে, ইমরান খান মুক্তি পেলে বেশি প্রতীকী শক্তি নিয়ে রাজনীতিতে ফিরতে পারেন; আর কারাগারে তার মৃত্যু ঘটলে তা বড় রাজনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে। এতে শরিফ ও ভুট্টো-জারদারি পরিবারের ভূমিকাও সমালোচিত হয়েছে। প্রতিবেদনে আদালতের নির্দেশকে চিকিৎসা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের অধিকারসংক্রান্ত একটি হস্তক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।