ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরুর পর সংঘাত থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করলেও সৌদি আরব কঠিন উভয়সংকটে পড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতের মধ্যে দেশটি তিন দিক থেকে হামলার মুখে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
সংঘাতে এক পাশে ইরান, আইআরজিসি, ইয়েমেনের হুথি, ইরাকের পিএমএফ ও লেবাননের হিজবুল্লাহ রয়েছে। অন্য পাশে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে উপসাগরীয় কয়েকটি আরব দেশ ও জর্ডান বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে। সৌদি আরব সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছুক, কারণ দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন ২০৩০, অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিকল্পনাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বাধার পর সৌদি আরব লোহিতসাগর হয়ে তেল রপ্তানি শুরু করে। কিন্তু ইয়েমেনে সৌদি হামলার জবাবে হুথিরা সৌদি বিমানবন্দর ও লোহিতসাগরে জাহাজ চলাচল লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে, ফলে বাব আল-মান্দেব দিয়ে তেল পরিবহনও ঝুঁকিতে পড়েছে। সাত বছর যুদ্ধ করেও হুথিদের হারাতে না পারা সৌদি আরব এখন পাল্টা প্রতিরোধ নাকি কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা কমাবে, সেই সিদ্ধান্তের মুখে রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।