Web Analytics

সূত্রের প্রতিবেদনে ভারতের অরুণাচল সীমান্তে চরম উত্তেজনার কথা বলা হয়েছে, যেখানে ভারত ও চীনের সেনারা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের স্মৃতি ফিরে এসেছে। কিছু গণমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন অরুণাচল অঞ্চলের ৫০ কিলোমিটার ভেতরে দখলদারত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। ২২ অক্টোবর রাজস্থানের আলওয়ারে আইটিবিপির অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক শত্রুজিৎ সিং কাপুরের বক্তব্যের পর বিষয়টি ব্যাপক প্রচার পায়।

সূত্র অনুযায়ী, বিরোধী দলগুলো বলছে, বিজেপি সরকার আগে চীনা অনুপ্রবেশের অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পরও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিরোধীদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতার প্রশ্ন তুলতে সুযোগ দিচ্ছে। প্রতিবেদনে চীনের একটি বাঁধের পাল্টা হিসেবে অরুণাচলে ভারতীয় বাঁধ নির্মাণবিরোধী স্থানীয় আন্দোলনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষক প্রবীণ সায়নীর কাল্পনিক মূল্যায়ন তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য সংঘাত মূলত সাইবারস্পেস, ইলেকট্রনিক স্পেকট্রাম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রযুক্তিতে নির্ধারিত হতে পারে। তার মতে, চীনা প্রযুক্তি ভারতের যোগাযোগ ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা অচল করে দিতে পারে এবং দুই দেশের প্রযুক্তিগত ব্যবধান বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।