নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার শুরু হয়েছে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার দায়ের করা ঐতিহাসিক গণহত্যা মামলার চূড়ান্ত শুনানি। তিন সপ্তাহব্যাপী এই শুনানিতে রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার বিচার চাওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে আশ্রিত লাখো রোহিঙ্গা ন্যায়বিচারের পাশাপাশি নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে নিজ দেশে ফেরার আশায় তাকিয়ে আছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি করে মিয়ানমার আন্তর্জাতিক আদালতের বিচার প্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে।
২০১৯ সালে গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে। দেশটি বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চাইলেও আগের সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ভুক্তভোগী রাষ্ট্র হিসেবে মামলাটিকে আরও শক্তিশালী করতে পারত। বর্তমান প্রশাসন জানিয়েছে, তারা মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং গাম্বিয়া পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করেছে। রায় গাম্বিয়ার পক্ষে গেলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হতে পারে।
এদিকে সীমান্তে গুলিবিনিময় ও উত্তেজনা পরিস্থিতি উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশকে সীমান্তে নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।