Web Analytics

ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্মম ও অমানবিক গুম মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। গুম বন্ধে রাজনৈতিক দৃঢ় সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকেরই রাজনীতি করার স্বাধীনতা এবং আইনগত সুবিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিগত সময়ে যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাদের জন্য এই সাংবিধানিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করা হয়নি। এখনো পর্যন্ত আমাদের সাতজন ভাইয়ের কোনো খোঁজখবর পাওয়া যায়নি। এই সময় সরকারের প্রতি পাঁচ দফা দাবি জানান। সেগুলো হলো–অনতিবিলম্বে গুম হওয়া সবাইকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে অথবা তাদের সঠিক অবস্থার তথ্য জানাতে হবে। গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সব ধরনের ‘আয়নাঘর’-এর বিস্তারিত তথ্য জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে। গুমকৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং গুম থেকে ফেরত আসা সব নির্যাতিত ব্যক্তির জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণ সংস্কার করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ গুম, খুন, ক্রসফায়ারের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!