Web Analytics

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে চাপ বাড়িয়েছেন এবং তেহরানকে অর্থনৈতিক ‘লাইফলাইন’ দেওয়া যেকোনো দেশকে আর্থিক শাস্তির হুমকি দিয়েছেন। মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এ অভিযানকে কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন। তেল পাচার, অর্থ স্থানান্তর, নগদ অর্থ হস্তান্তর, মানি এক্সচেঞ্জ, জাহাজ নিবন্ধন ও ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানকে সহায়তা বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীন ও রাশিয়ার কারণে এই অভিযান কার্যকর করা কঠিন হতে পারে। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি কাতারের পল মাসগ্রেভ বলেন, এমন সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা একতরফাভাবে বাস্তবায়ন খুব কঠিন এবং সাধারণত বহুপক্ষীয় সমর্থন প্রয়োজন। ইরানের বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যারা ইরানের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অভিযোগ করেছে। এক বিশেষজ্ঞের মতে, এ সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো প্রভাব থাকতে পারে।

কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইরানের রপ্তানি করা তেলের ৮০ শতাংশ কিনেছে চীন। একই বছর জানুয়ারিতে রাশিয়া ও ইরান ২০ বছরের অংশীদারত্ব চুক্তি করে এবং প্রথম ১১ মাসে তাদের বাণিজ্য ৪৮০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। ইরান ব্রিকস নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।