যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের পাসপোর্ট আবেদনের সময় বাবা-মায়ের নাগরিকত্ব বা অভিবাসন অবস্থার প্রমাণ জমা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। রয়টার্সের দেখা খসড়া নির্দেশনা অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নথির ভিত্তিতে সরকার নির্ধারণ করবে, শিশু নির্বাহী আদেশের অধীনে নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য কি না।
বাবা-মাকে মার্কিন পাসপোর্ট, জন্মসনদ, আই-৯৪ ফর্ম বা গ্রিন কার্ডের মতো নথি দিতে হতে পারে। উদ্যোগটির অন্যতম লক্ষ্য ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বন্ধ করা, অর্থাৎ সন্তানের নাগরিকত্বের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ। নির্দেশিকায় বিদেশি সরকারের হয়ে কাজ করা ব্যক্তি, নাগরিকত্ব পেতে প্রতারণা বা বাণিজ্যিক লেনদেনে জড়িত ব্যক্তি এবং ‘বিদেশি শত্রু’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত ব্যক্তিদের সন্তানদের নাগরিকত্ব না দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ট্রাম্পের আগের নির্বাহী আদেশে অন্তত একজন অভিভাবক মার্কিন নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হলে শিশুর স্বয়ংক্রিয় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার কথা ছিল। সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটে সেটিকে অসাংবিধানিক বলে রায় দেয়। সর্বশেষ আদেশটিও আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে; মেরিল্যান্ডের ফেডারেল বিচারক ডেবোরা বোর্ডম্যান সংশয় প্রকাশ করে মামলা সংশোধনের অনুমতি দিয়েছেন। বর্তমানে এ ধরনের পাসপোর্ট আবেদনে বাবা-মায়ের অবস্থার আলাদা প্রমাণ সাধারণত লাগে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।