দক্ষিণ ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলের রুশ-অধিকৃত ওলেশকি শহরে ভয়াবহ মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও চিকিৎসাসেবার তীব্র অভাবে কিছু বাসিন্দা বাগানের ঘাস ও আগাছা রান্না করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন। নিরাপদে শহর ছাড়ার পথও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের হিসাবে, যুদ্ধের আগে প্রায় ২৪ হাজার মানুষের শহরটিতে এখন প্রায় ২ হাজার বেসামরিক মানুষ, যার মধ্যে প্রায় ৫০ শিশু, অবস্থান করছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মে মাসে শহরে শেষ খাদ্য সরবরাহ পৌঁছায়; এরপর দোকান বন্ধ হয়ে যায় এবং ঘরে থাকা খাবারও ফুরিয়ে আসে। ডিনিপ্রো নদীর পূর্ব তীরে খেরসন শহরের বিপরীতে অবস্থিত ওলেশকি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালে কাখোভকা বাঁধ ধ্বংসের পর বন্যায় অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও কেন্দ্রীয় পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
খেরসন আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর ইউক্রেনীয় বাহিনী ড্রোনে প্রায় চার টন খাদ্য ১০০টি নির্ধারিত স্থানে পাঠিয়েছে, তবে সব খাদ্য বাসিন্দাদের হাতে পৌঁছেছে কি না নিশ্চিত নয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা বাধাহীন ত্রাণ ও নিরাপদ সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। রাশিয়া সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার জন্য ইউক্রেনীয় হামলাকে দায়ী করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।