কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেছেন, কিশোর গ্যাং নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। চলমান অভিযানে চাপ সৃষ্টি বা তদবিরের চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা মহলের নাম প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। সোমবার সকালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নাগরিক সেবামূলক সফটওয়্যার ‘আমার কুমিল্লা’ উদ্বোধনের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার কিশোর গ্যাংকে সমাজের নতুন ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সক্রিয় গ্যাংগুলোর অবস্থান এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়ার স্থান সম্পর্কে পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে জেলার বিভিন্ন হটস্পটে অভিযান চালিয়ে সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সন্তান অপ্রতিম হত্যার পর এ বিষয়ে নতুন করে ব্যাপক কাজ শুরু হয় বলে তিনি জানান।
২৩ সেপ্টেম্বর জেলার ১৮ থানায় একযোগে অভিযানে ৬২৪ জন আটক হন। ২৬ সেপ্টেম্বর আরও ২৫৫ জন এবং পরদিন রাত শেষ হওয়া পর্যন্ত আরও ৪৮৭ জনকে আটক করা হয়। অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। অভিভাবকদের সন্ধ্যার পর সন্তানদের অপ্রয়োজনে বাইরে আড্ডা দিতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, প্রভাবশালী পৃষ্ঠপোষকদের সম্পৃক্ততা মিললে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।