ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণে গঠিত কারিগরি কমিটির একটি জরুরি সভা সোমবার সকালে গুলশান নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় চলমান ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ করা হয়। প্রধান অতিথি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, ভিন্ন ভিন্ন কীটনাশকের সমন্বিত ব্যবহার একাধিক ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে এবং ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি মশা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইনের ঘোষণা দেন।
সভায় নতুন ও অধিক কার্যকর কীটনাশক নির্ধারণকে মূল আলোচ্য হিসেবে ধরা হয়। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে আগাম প্রস্তুতির ওপর জোর দেন। তিনি টেমিফসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গঠনের ঝুঁকি উল্লেখ করে বায়োলজিক্যাল কন্ট্রোল ব্যবস্থার পরামর্শ দেন। কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার জানান, পরীক্ষায় ম্যালাথিয়ন তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে এবং বিকল্প হিসেবে বিটিআই ব্যবহারের সম্ভাবনা বিবেচনা করা যেতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. বেনজির আহমেদ মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।