সরকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রায় ১ হাজার ৪৫০ সদস্যের প্রথম ধাপে অর্ধেক প্রত্যাহার করা হবে। পরে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে অবশিষ্ট সদস্যদের মধ্য থেকেও আরও এক-তৃতীয়াংশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। লক্ষ্য হলো ধীরে ধীরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার নেতৃত্ব বেসামরিক সংস্থাগুলোর হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।
বৃহস্পতিবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রায় তিন বছর পর কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলো। বিমানবাহিনীর সদস্যসংখ্যা কমানোর পাশাপাশি বেবিচকের এভিয়েশন সিকিউরিটি, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং অন্যান্য নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে দৈনন্দিন নিরাপত্তা, আইন প্রয়োগ ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে বেসামরিক সংস্থাগুলো নেতৃত্ব দেবে।
বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, সব সংস্থার কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত ও উপস্থিতির ভারসাম্যহীনতা দূর করতেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আনসার সদস্যদের কর্মবিরতির প্রেক্ষাপটে বিমানবাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। ভবিষ্যতের বড় নিরাপত্তা সংকট বা জাতীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে দ্রুত সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা নিতে বিশেষ সমঝোতা স্মারক করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।