যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে আতিথেয়তা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এটি চীনকে একসময় মার্কিন অর্থনীতির বড় হুমকি হিসেবে তুলে ধরা ট্রাম্পের অবস্থানের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত। আগে তিনি চীনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত এবং মধ্যবিত্ত দুর্বল হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি শিকে ‘দারুণ ভদ্রলোক’ বলে উল্লেখ করে দুই নেতার সম্পর্ক খুব ভালো বলে মন্তব্য করেন।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চহারের শুল্ক ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ দিয়ে বেইজিংকে চাপে রাখার আগের কৌশল প্রত্যাশিত ফল দেয়নি। ইলেকট্রনিক পণ্যে প্রয়োজনীয় বিরল খনিজের ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণ বাণিজ্য আলোচনায় তাকে সুবিধা দেয় এবং সাময়িক বাণিজ্য সমঝোতায় চাপ সৃষ্টি হয়। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাইকেল কোভরিগ বলেন, প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় শি জিনপিংয়ের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে।
শির বৃহস্পতিবারের সফর থেকে কী নির্দিষ্ট ফল আসবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বাণিজ্যবিরতির মধ্যে দুই দেশই এআই, সামরিক সক্ষমতা ও বিরল খনিজের সরবরাহব্যবস্থায় নিজেদের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইভান মেডেইরোসের মতে, সফরের সবচেয়ে বড় ফল হয়তো ট্রাম্প ও শির ব্যক্তিগত সম্পর্কই হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।