Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরানের পাল্টা আঘাতে বিশ্বজুড়ে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি ও শেয়ারবাজারে ধস নেমেছে। গত এক মাস ধরে পারস্য উপসাগরের শোধনাগার, পাইপলাইন ও গ্যাস টার্মিনালে হামলার ফলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলো জ্বালানি রেশনে বাধ্য হচ্ছে এবং দরিদ্র জনগণকে রক্ষায় ভর্তুকি দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা জানিয়েছে, দৈনিক দুই কোটি ব্যারেল তেলের ঘাটতি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সরবরাহ সংকট।

ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় কুয়েত ও ইরাকের তেল রপ্তানি স্থবির হয়ে পড়েছে। কাতারের রাস লাফান টার্মিনালে হামলায় এলএনজি রপ্তানির ১৭ শতাংশ সক্ষমতা ধ্বংস হয়েছে। ব্রেন্ট তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের বেশি হয়েছে। সার ও হিলিয়াম সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে। এমআইটি, হার্ভার্ড ও আইএমএফের অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী স্থবির প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উপসাগরীয় অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ধীর হবে এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম আরও বাড়তে পারে। দরিদ্র দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।